ধামইরহাটে ইসবপুর ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে লড়ছেন ৪ প্রতিদ্বন্দ্বী

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি ।।

নওগাঁর ধামইরহাটে ৭নং ইসবপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সকাল ৯টায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইমরুল কায়েশ বাদল (নৌকা প্রতীক) চন্দ্রকোলা কেন্দ্রে, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এস.এম জাহাঙ্গীর আলম (মোটরসাইকেল প্রতীক) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আকতারুল ইসলাম (আনারস) নিজ ভোটকেন্দ্র ধুরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং মো. হুমায়ন (চশমা) প্রতীকে পোড়ানগর কেন্দ্রে ভোট দেন।

নির্বাচনে মোট ভোটার ১৭ হাজার ৩১৮ জন। পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ৭৫৩ এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ৮ হাজার ৫৬৫ জন। তবে ৯টি ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইটিং অফিসারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সকল কেন্দ্রের মোট ৬৪% ভোট কাস্ট হয়েছে। বৈদ্যবাটি ও চন্দ্রকোলা ভোট কেন্দ্রে ৭৩% ও ইসবপুর ভোটকেন্দ্রে ৭১% ভোট দুপুর ২টায় কাস্ট হয়েছে বলে প্রিজাইটিং অফিসার যথাক্রমে সোহেল রানা, শাহরিয়ার কবির ও কাজল কুমার জানান।

ভোট কেন্দ্রের বাইরে মানপুর, বৈদ্যবাটি ও বাদাল আশেকিয়া এলাকায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থকদের সাথে বাকবিতণ্ডা হলে র‌্যাব-পুলিশ ও বিজিবি তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে বুথ থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া ও রাস্তায় বাধা দেয়ার অভিযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এস.এম জাহাঙ্গীর আলম। অপরদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ইমরুল কায়েশ বাদল বলেন, শান্তিপূর্ণ ও স্বত্বঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে ইসবপুর ইউনিয়নের জনসাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ছুটে আসছেন। মানপুর কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের লোকজনই আমাদের কর্মী ও ভোটারদের ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া করার চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা প্রতিরোধ করছে। তবে সাধারণ ভোটাররা বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ইমরুশ কায়েশ বাদল ও এস.এম জাহাঙ্গীর আলমের সাথে ভোটের লড়াই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

এছাড়া যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য র‌্যাব ও বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে। একজন জুডিশিয়াল ও তিন জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্রেট নির্বাচনী দায়িত্বে আছেন এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ৩টি মোবাইল টিম কাজ করছে।