ইসলামে আদেশ-নিষেধের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

ইসলাম বলছে : পুরুষের প্যান্ট/ কাপড় টাখনুর উপর পরতে, অন্যথায় তা জাহান্নামে যাবে (সহিহ বুখারি: ৫৩৭১)
বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করছে : পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমাণে সেক্সুয়াল হরমোন থাকে এবং তার আলো-বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।

ইসলাম বলছে : ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত। (সহিহ বুখারীঃ৫৫১৫)
বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করছে : ভ্রু হল চোখের হিফাজতের জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রু প্লাগকারী পাগল অথবা মৃত্যুবরণ করতে পারে।

ইসলাম বলছে : ধুমপান করা হারাম। (সহিহ বুখারিঃ ৬১২৪)
বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করছে : ধুমপানের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুমপান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতি শক্তিও কমে যায় ৷

ইসলাম বলছে : ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে। (সহিহ বুখারি ৩২৮০)
বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করছে : ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পামপ করে আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

ইসলাম বলছে : তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ (সহিহ মুসলিম ৪৯৩ )
বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করছে : দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুসফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।

ইসলাম বলছে : আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ। (বনি-ইসরাঈল : ৩২)
বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করছে : পর্নগ্রাফি, অশ্লিল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশা। যদি কেউ এসব নেশজাত দ্রব্যে জড়িয়ে পড়ে তাহলে ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়ার আমাদের পরিচালনা করার ইনটেলুক্টুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল- অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।

ইসলাম বলছে : আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়। (আরাফ:২০৪)
বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করছে : কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগিদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে যেমনভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারিকে সচল করে।

এইরকম আরো অসংখ্য প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান ইসলামে বিদ্যামান। মনে রাখতে হবে ৷ আপনি যদি ইসলামের কোন বিধান পালন করেন তার মানে নিশ্চিত থাকুন, আপনি একটি বিজ্ঞান চর্চা করছেন!

আমাদের এই বিজ্ঞানময় ইসলাম নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার তৌফিক দান করুন। আমীন!

 

সংগৃহীত