শপিং করতে খুব ভালবাসেন? জেনে রাখুন ৫টি টিপস

শপিং মানেই আনন্দ। যতই মন খারাপ থাকুক না কেন, শপিং করলে মুহূর্তেই মন ভালো হয়ে যায়। শপিং আসলে আমাদের জীবনের এক প্রকার আনন্দ যা আমাদের তাৎক্ষনিক সুখ দেয়। কিন্তু শপিং করারও আছে কিছু নিয়ম যা মেনে চলতে পারলে আপনি কখনো ঠকবেন না, অযথা বেশি টাকা নষ্ট হবে না। সংসারে বা নিজের ব্যক্তিগত জীবনে সবারই খরচের ব্যাপারটা সামলে চলা উচিত। তাই সব কিছুর জন্য যদি আলাদা বাজেট করে রাখি তাহলে অপচয় অনেকটা কমে যাবে। অন্য যে কোন কিছুর পিছনে আমরা যতই খরচ করি না কেন, অপরিকল্পিত শপিং করার পেছনে আমরা অনেক বেশিই খরচ করি। তাই কিছু বিষয় জেনে রাখা ভালো যা আপনাকে শপিং করতে গেলে অতিরিক্ত খরচ থেকে বাঁচাবে।

যা করনীয়
১। প্রতিদিনের এই ব্যস্ত জীবনে আমাদের কত কিছুরই দরকার হয়। তাই শপিং করার বেশ কয়দিন আগে থেকেই যা যা লাগবে তা লিস্ট করে ফেলুন। একদিনে সব লিস্ট করবেন না, তাহলে দেখা যাবে যা দরকার তা আপনার মনে পড়ছে না। তাই কয়দিন আগে থেকেই লিস্ট তৈরি করে রাখলে হুট করে কিছু মনে পড়লে তা লিস্টে যোগ করে দিতে পারবেন।

২। শপিং করার জন্য সবার আগেই আপনার বাজেট ঠিক করুন। যা যা লাগবে তার একটি আনুমানিক দাম লিখে রাখুন। তাহলে দেখবেন কোন কিছু কিনতে গেলে অতিরিক্ত খরচ হবেনা।

৩। যদি কোন ফিক্সড প্রাইজের দোকানে যান, সেখানে কিন্তু কোন দরদাম করার সুযোগ নেই। তবে যখন লোকাল মার্কেটে যাবেন অবশ্যই দরদাম করেই কেনা উচিত, কারণ এতে করে আপনার ঠকে যাওয়ার কোন সুযোগ থাকবেনা। এবং আপনার ধারণা হয়ে যাবে বাজারে কোন জিনিসটার দাম কত।

৪। অনেক সময় বিভিন্ন শপিংমলগুলোতে, গরম ও শীতকাল উপলক্ষে বিশেষ ছাড় দেয়া হয়। তখন আপনি শপিং করতে পারেন মনমত। তবে ছাড় দেয়া জিনিসগুলো কিন্তু সবসময় ভালো হয় না। তাই ভালোকরে দেখে যাচাই করে কিনুন।

৫। শপিং মলে গিয়েই হুট করে কোন কিছু কিনে ফেলবেন না। কোন কিছু পছন্দ হলে প্রথমে কয়েকটি দোকান পর্যবেক্ষণ করুন, তারপর যখন আপনার মনে হবে যে কেনা উচিত তখন পছন্দের জিনিসটি কিনতে পারেন।

৬। অনেক সময় আমরা এমন কিছু প্রসাধনী কিনি যার উৎপাদন তারিখ ও মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার তারিখ দেয়া থাকে না। সেই রকম কোন কিছু না কেনাই ভালো। এবং উৎপাদন ও মেয়াদ শেষের তারিখ দেয়া থাকলে তা ভালো করে চেক করে তারপর কিনুন।