মো: হেলাল উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি ।।
নিকলী হতে করিমগঞ্জ রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ সংযোগ সড়কের মাঝখানে কারপাশা, সহরমুল, নানশ্রী এলাকার বিভিন্ন স্থানে পল্লী বিদ্যুৎতের ১৩ খুঁটি। এ নিয়ে স্থানীয়দের এবং পথচারীদের মধ্যে ছিল নানা ধরনের শঙ্কা। কখন জানি ঘটে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ভাবতে ভাবতে বেশক’টি দুর্ঘটনা ঘটে যায় এ রাস্তায়।
এলাকাবাসী এলজিইডি এবং পল্লী বিদ্যুতের কাছে খুঁটি সরানোর দাবি জানিয়ে এলেও ফলাফল কিছুই হয়নি। রাস্তায় যাতায়াতের সময় মটরবাইক, ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ সব ধরনের যান চলাচলের সময় এসব খুঁটির সাথে ছোট-বড় বেশক’টি দুর্ঘটনার পরেও খুঁটিগুলো সরানোর ব্যবস্থা করেনি পল্লী বিদ্যুৎ।
জনগুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টি নিয়ে প্রথমেই নিকলীকেন্দ্রিক প্রথম অনলাইন সংবাদমাধ্যম “আমাদের নিকলী ডটকম” এবং জাতীয় দৈনিক ইনকিলাবে সংবাদ প্রকাশ হলে সকলের নজরে আসে। সংবাদটি ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আলোচিত হতে থাকে। এরই মধ্যে অন্য আরো কিছু খবরের কাগজেও সংবাদটি বেশ গুরুত্বের সাথে প্রকাশিত হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেন। কিছুদিন পরেই পল্লী বিদ্যুৎ রাস্তার মাঝে থাকা বিদ্যুতের পিলারগুলো নিরাপদ দূরত্বে সরাতে উদ্যোগ গ্রহণ করে। বর্তমানে রাষ্ট্রপতি সড়কের পূর্বপাশ দিয়ে পল্লী বিদ্যুতের নতুন পিলার স্থাপন দৃশ্যমান। কেটে যেতে শুরু করেছে পথচারী ও এলাকার জনমানুষদের সকল জল্পনা কল্পনা।
নতুন লাইনটি কবে নাগাদ চালু হতে পারে তা নিয়ে মুঠোফোনে কথা হয় কিশোরগঞ্জের পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মো: মনির উদ্দিন মজুমদারের সাথে। তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, নিকলীর মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ সড়কের মাঝে বিদ্যুতের যে খুঁটিগুলো ছিল তা সরিয়ে নেয়ার জন্য আমরা নতুন আরেকটি লাইন নির্মাণ করেছি। নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ৪৫ সাইজের একটি খুঁটি বসালেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। আমাদের সংগ্রহে ৪৫ সাইজের খুঁটি এ মুহূর্তে নেই। খুঁটি সংগ্রহে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি দু’-এক দিনের মধ্যে আমাদের হাতে খুঁটি চলে আসবে। আর তখনি রাস্তা হতে পুরনো খুঁটি উঠিয়ে ফেলা হবে।


