নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের পুনর্মিলনী, পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠার ২৭ বছরপূর্তি উদযাপন করেছে জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ‘আমরা কুঁড়ি’। বুধবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজন। তিন পর্বের অনুষ্ঠানে প্রথম পর্বে ছিল আলোচনা, সম্মাননা প্রদান ও শেষ পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

‘শুক্রবার কোচিং ক্লাস চাই না, খেলতে চাই, বেড়াতে চাই’ প্রতিপাদ্যে প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট কবি রাজু আলীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ম্যাজিস্ট্রেট রোকন উদ-দৌলা, জিটিভি’র চিফ নিউজ এডিটর ইকবাল করিম নিশান, ঢাকা মহানগর (উত্তর) আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সহ-সম্পাদক আজিজুল হক রানা। আলোচনা পর্বে বক্তৃতা করেন সংগঠনের মহাসচিব ফেরদৌস আরা বন্যা ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সুজয় মণ্ডল।

দ্বিতীয় পর্বে আমরা কুঁড়ি সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে যুব সংগঠক ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য নিকলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নিকলী উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কারার শাহরিয়ার আহমেদ তুলিপকে সম্মাননা দেয়া হয়। তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। তাছাড়াও পুরস্কারপ্রাপ্ত অন্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন : শাহেদ শরীফ খান (চলচ্চিত্র), কুসুম সিকদার (চলচ্চিত্র), শাকিলা জেসমিন (সাংবাদিকতা), আজিজুল হক রানা (সংগঠক)।

পুরস্কার প্রাপ্তিতে কারার শাহরিয়ার আহমেদ তুলিপ অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, যে কোনো কাজের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি একটা বিশাল ফ্যাক্ট। এতে ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরো উদ্যমী করে তোলে। জাতীয় পর্যায়ে এটি আমার প্রথম পুরস্কার প্রাপ্তি। এই সম্মাননা পেয়ে নিজের মধ্যে দায়িত্ব বোধ আরো বেশি অনুভব করছি। এই অর্জন একা আমার নয়। আমি মনে করি এটি আমার পুরো ইউনিয়নবাসী এবং আমার প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের নিকলী উপজেলার প্রতিটি সদস্যের অর্জন। আমরা কুঁড়ির সাথে সম্পৃক্ত সকল সদস্য, কর্মকর্তাবৃন্দকে আমার ও ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
নিকলী উপজেলাভিত্তিক প্রথম অনলাইন সংবাদমাধ্যম “আমাদের নিকলী.কম“ পরিবারের পক্ষ থেকে কারার শাহরিয়ার আহমেদ তুলিপের এই অর্জনে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

আলোচনা পরবর্তী সাংস্কৃতিক পর্বে নাচ, গান, আবৃত্তিসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় সংগঠনের বিভিন্ন শাখার শিল্পীরা। এ পর্বের শুরুতেই সংগঠনটির শিল্পীরা পরিবেশন করেন দলীয়সঙ্গীত ‘আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ’। এরপর ‘এগিয়ে চলো বাংলাদেশ’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে সংগঠনের সদস্য পারিশা, জেনিসা ও সুমাইয়া। বৃন্দ আবৃত্তিতে অংশ নেয় প্রিয়ম, মহিমা, রুকাইয়া, মম, পুনম ও পরী। সাদিয়া আফরিন মীমের কণ্ঠে গীত হয় ‘পলাশ ডাকা শিমুল ডাকা’ গানটি।


