বিশেষ প্রতিনিধি ।।
কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম-ঢাকা (কেজেএফডি)-এর উদ্যোগে বৈশাখী আড্ডা ও মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠান আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে এ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বল্প সময়ের জন্য উপস্থিত হয়ে আয়োজকদের শুভেচ্ছা জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল।
অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান এমপি ও শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক নেতা ও টকশো ব্যক্তিত্ব এম এ আজিজ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূইয়া।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসির-উদ-দৌলা, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, আয়োজক সংগঠনের সাবেক সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও রাজেন্দ্র চন্দ্র দেব মন্টু, ভারপ্রাপ্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ইয়াকুব আলী, সাবেক সিনিয়র জেলা জজ ফজলে ইলাহী ভূইয়া, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শায়েস্তা আলী খান এবং ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের অপারেটিভ ডিরেক্টর ও নগর পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিশিষ্টজন।

সংগঠনের সভাপতি এরফানুল হক নাহিদ ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কিরন জানান, পেশাগত ব্যস্ততার কারণে সাংবাদিকরা অনেক সময় উৎসব-পার্বণেও পরিবারকে সময় দিতে পারেন না। পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, পেশাগত উন্নয়ন এবং সৌহার্দ্য বিনিময়ের লক্ষ্যেই প্রতি বছরের মতো এবারও এ আয়োজন করা হয়েছে।
মিলনমেলায় কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি হামিদ মোহাম্মদ জসীম।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ও গ্রামবাংলার সুস্বাদু খাবারের সমাহার। সিনিয়র নেতা মনোজ রায়ের উদ্যোগে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে পরিবেশন করা হয় সাদা ভাত, লতি চিংড়ি, মুড়িঘণ্ট, রুই মাছ ভাজা, আইড় মাছের কালিয়া, ডাল ও দধি। নিজস্ব সংস্কৃতির এ আয়োজন উপস্থিত সবার মাঝে নস্টালজিয়ার আবহ তৈরি করে।

