মোঃ নুরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি ।।
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিনের সাথে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সাংবাদিকদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় নিকলী উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা মজুমদার মুক্তির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন। সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আরাধন দে।
সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির নিকলী উপজেলা শাখার সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ অ্যাডভোকেট বদরুল মোমেন (মিঠু), নিকলী শহীদ স্মরণিকা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাফির উদ্দিন, জেলা যুবদল নেতা কামরুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কফিল উদ্দিন, দামপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিকলী উপজেলা শাখার আমির মোঃ আবুল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস ছামাদসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সজীব ঘোষ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু হানিফ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।
সভায় বক্তারা নিকলীর রাস্তা-ঘাট ও ব্রিজের সমস্যা, চলনদীর ইজারা, স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা, নদীতে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন, জারুইতলা ইউনিয়নের গরুর হাটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, আপনাদের বক্তব্যের মধ্যেই রাস্তা ও পুড্ডা ব্রিজের সমস্যার বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। অন্য সমস্যাগুলোও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ১৩টি উপজেলার মধ্যে একটি উপজেলা পিছিয়ে থাকলে পুরো জেলাই পিছিয়ে থাকবে। জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় নিকলীর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আমরা জনগণের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নিকলীকে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এ উপজেলার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা এবং খাল খননের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা মজুমদার মুক্তি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

