আমাদের নিকলী ডেস্ক ।।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ রোববার (৩০ ডিসেম্বর ২০১৮) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনের প্রতিটিতেই মহাজোট মনোনীত প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানকে। ভোটের পার্থক্য ২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮২।
কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর)
আওয়ামী লীগ প্রার্থী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর এই দুই উপজেলার ১৬৬টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পেয়েছেন ২ লাখ ৫৯ হাজার ৪৭০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭১ হাজার ৪৩৩ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া)
আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩৭ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া দুই উপজেলার ১৬৫টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে মহাজোট প্রার্থী নূর মোহাম্মদ পেয়েছেন ২ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩২৩ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল)
মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু লাঙ্গল প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ২ লাখ ৭ হাজার ৮৩০ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। করিমগঞ্জ-তাড়াইল এই দুই উপজেলার ১৩৫টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে মহাজোট প্রার্থী মুজিবুল হক চুন্নু পেয়েছেন ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী জেএসডি’র ড. মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৭৮৬ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম)
আওয়ামী লীগ প্রার্থী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮২ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম এই তিন উপজেলার ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক পেয়েছেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫১৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৩৬ ভোট। কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনের মধ্যে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক সবচেয়ে বড় ব্যবধানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেন।
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর)
আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলহাজ্ব মো. আফজাল হোসেন নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭২৬ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। নিকলী ও বাজিতপুর এই দুই উপজেলার ৯৮টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলহাজ্ব মো. আফজাল হোসেন পেয়েছেন ২ লাখ ২ হাজার ৮৭৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৫০ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৬ (কুলিয়ারচর-ভৈরব)
আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. নাজমুল হাসান পাপন নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ২ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৯ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। কুলিয়ারচর ও ভৈরব এই দুই উপজেলার ১৩৭টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. নাজমুল হাসান পাপন পেয়েছেন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মো. শরীফুল আলম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪ ভোট।

সূত্র : কিশোরগঞ্জ নিউজ, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮

