জারুইতলা ভেন্যু কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিদর্শনে ইউএনও রেহানা মজুমদার

মোঃ নুরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি ।।

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার জারুইতলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভেন্যু কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা মজুমদার (মুক্তি)।

শনিবার (১৮ জুলাই) ভূগোল দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার দিন তিনি কেন্দ্র পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

জানা যায়, নিকলী মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য এ বছর প্রথমবারের মতো প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে জারুইতলা স্কুল অ্যান্ড কলেজকে ভেন্যু কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২ জুলাই থেকে এ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে বর্ষাকালে জরাজীর্ণ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক পরীক্ষার্থীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলে ভিজেই কেন্দ্রে পৌঁছাতে হচ্ছে তাদের। তবুও কেন্দ্রের মনোরম পরিবেশ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় স্বস্তির সঙ্গে পরীক্ষা দিচ্ছেন পরীক্ষার্থীরা।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবু দীপক কুমার বিশ্বাস জানান, ভেন্যু কেন্দ্রে মোট ৫৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। শুরু থেকেই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

হল সুপার ও জারুইতলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন বলেন, পরীক্ষা সম্পূর্ণ সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার (মুক্তি) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল্লাহ।

পরিদর্শন শেষে ইউএনও রেহানা মজুমদার (মুক্তি) বলেন, “আজ জারুইতলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভেন্যু কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা দিচ্ছে। সার্বিক পরিবেশ সন্তোষজনক। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় পুলিশ সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা টিমও কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে।”

তিনি আরও বলেন, প্রশ্নপত্র তুলনামূলক সহজ হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে।

উল্লেখ্য, শনিবার ভূগোল দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও নিকলী মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ সরকারি কলেজ কেন্দ্রের সব পরীক্ষার্থীর জন্য এ বিষয়ের পরীক্ষা ছিল না।

এ সময় পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন পরীক্ষা কমিটির সদস্য সিনিয়র প্রভাষক জামরুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক এ.এইচ.এম. আছাদ, ট্যাগ অফিসার শহিদুল ইসলাম, শরীরচর্চা শিক্ষক আব্দুল জলিল, মো. খাইরুল ইসলাম, মাজহারুল ইসলাম এবং অফিস সহকারী আশরাফ উদ্দিন (নয়ন)।

Similar Posts

error: Content is protected !!